
কারার ঐ লৌহকপাট
– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা কারার ঐ লৌহকপাট,ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট,রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।ওরে ও তরুণ ঈশান,বাজা তোর প্রলয় বিষাণধ্বংস নিশান উড়ুক প্রাচীর

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা কারার ঐ লৌহকপাট,ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট,রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী।ওরে ও তরুণ ঈশান,বাজা তোর প্রলয় বিষাণধ্বংস নিশান উড়ুক প্রাচীর

কাজী নজরুল ইসলাম অভিভাষণ বন্ধুগণ, আপনারা যে সওগাত আজ হাতে তুলে দিলেন, আমি তা মাথায় তুলে নিলুম। আমার সকল তনু-মন-প্রান আজ বীণার মত বেজে উঠেছে।

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা সাম্যের গান গাই! –যত পাপী তাপী সব মোর বোন, সব হয় মোর ভাই।এ পাপ-মুলুকে পাপ করেনি ক’ কে

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা সাম্যের গান গাই –আমার চক্ষে পুরুষ-রমনী কোনো ভেদাভেদ নাই।বিশ্বে যা-কিছু মহান্ সৃষ্টি চির-কল্যাণকরঅর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।বিশ্বে

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সিন্ধু-হিন্দোল তোমারে বন্দনা করি

-কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা গাহি সাম্যের গান-মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই,

-কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই ‘নবী’,কবি ও অকবি যাহা বলো মোরে মুখ বুঁজে তাই সই সবি!কেহ বলে, ‘তুমি ভবিষ্যতে


– কাজী নজরুল ইসলাম ‘ভাঙ্গার গান‘ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি মূলত ১৯২২ সালে ‘ধুমকেতু’ পত্রিকায় প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। আর কতকাল থাকবি

– কাজী নজরুল ইসলাম ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের ভাদ্র মাসে প্রকাশিত নজরুল গীতিকা গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত যেদিন লব বিদায় ধরা ছাড়ি প্রিয়ে।ধুয়ো ‘লাশ’ আমার লাল পানি দিয়ে।।শেয়র: শারাবী জমশেদী

কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: অগ্নি-বীণা কে তুমি খুঁজিছ জগদীশে ভাই আকাশ পাতাল জুড়ে’কে তুমি ফিরিছ বনে-জঙ্গলে, কে তুমি পাহাড়-চূড়ে? হায় ঋষি দরবেশ,বুকের মানিকে বুকে

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা গাহি সাম্যের গান-যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানযেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্লিম-ক্রীশ্চান।গাহি সাম্যের গান!কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল,