
রবীন্দ্রনাথের প্রতি
– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র এখনো আমার মনে তোমার উজ্জ্বল উপস্থিতি,প্রত্যেক নিভৃত ক্ষণে মত্ততা ছড়ায় যথারীতি,এখনো তোমার গানে সহসা উদ্বেল হয়ে উঠি,নির্ভয়ে উপেক্ষা করি জঠরের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র এখনো আমার মনে তোমার উজ্জ্বল উপস্থিতি,প্রত্যেক নিভৃত ক্ষণে মত্ততা ছড়ায় যথারীতি,এখনো তোমার গানে সহসা উদ্বেল হয়ে উঠি,নির্ভয়ে উপেক্ষা করি জঠরের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আজ এসেছি তোমাদের ঘরে ঘরে-পৃথিবীর আদালতের পরোয়ানা নিয়েতোমরা কি দেবে আমার প্রশ্নের কৈফিয়ৎ:কেন মৃত্যুকীর্ণ শবে ভরলো পঞ্চাশ সাল?আজ বাহান্ন সালের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র বন্ধু, তোমার ছাড়ো-উদ্বেগ, সুতীক্ষ্ণ করো চিত্ত,বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।মূঢ় শত্রুকে হানো স্রোত রুখে, তন্দ্রাকে করো ছিন্ন,একাগ্র দেশে

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র হে সূর্য! শীতের সূর্য!হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায়আমরা থাকি,যেমন প্রতীক্ষা ক’রে থাকে কৃষকদের চঞ্চল চোখ,ধানকাটার রেমাঞ্চকর দিনগুলির জন্যে। হে সূর্য,

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই দৃঢ় সত্যের দিতে হবে খাঁটি দাম,হে স্বদেশ, ফের সেই কথা জানলাম।জানে না তো কেউ পৃথিবী উঠছে কেঁপেধরেছে মিথ্যা সত্যের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: পূর্বাভাস হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলা দেশকেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে,সে কোলাহলে রুদ্ধস্বরের আমি পাই উদ্দেশ।জলে ও মাটিতে ভাঙনের বেগ আসে।

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই সীমান্তে আজ আমি প্রহরী।অনেক রক্তাক্ত পথ অতিক্রম ক’রেআজ এখানে এসে থমকে দাড়িয়েছি-স্বদেশের সীমানায়।ধুসর তিউনিসিয়া থেকে স্নিগ্ধ ইতালী,স্নিগ্ধ ইতালী থেকে

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র ভাঙা কুঁড়ে ঘরে থাকি;পাশে এক বিরাট প্রাসাদপ্রতিদিন চোখে পড়ে;সে প্রাসাদ কী দুঃসহ স্পর্ধায় প্রত্যহআকাশকে বন্ধুত্ব জানায়;আমি তাই চেয়ে চেয়ে দেখি।চেয়ে

সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতেরানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে,রানার চলেছে রানার!রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।দিগন্ত

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রেতার মুখে খবর পেলুমঃসে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকারজন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে।খর্বদেহ

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠিএত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি নাঃতবু জেনোমুখে আমার উসখুস করছে বারুদ–বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;আমি

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহর্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,আঠারো বছর বয়সেই অহরহবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি। আঠারো বছর বয়সের নেই