
বিক্ষোভ
– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই দৃঢ় সত্যের দিতে হবে খাঁটি দাম,হে স্বদেশ, ফের সেই কথা জানলাম।জানে না তো কেউ পৃথিবী উঠছে কেঁপেধরেছে মিথ্যা সত্যের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই দৃঢ় সত্যের দিতে হবে খাঁটি দাম,হে স্বদেশ, ফের সেই কথা জানলাম।জানে না তো কেউ পৃথিবী উঠছে কেঁপেধরেছে মিথ্যা সত্যের

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: পূর্বাভাস হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলা দেশকেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছ্বাসে,সে কোলাহলে রুদ্ধস্বরের আমি পাই উদ্দেশ।জলে ও মাটিতে ভাঙনের বেগ আসে।

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ঘুম নেই সীমান্তে আজ আমি প্রহরী।অনেক রক্তাক্ত পথ অতিক্রম ক’রেআজ এখানে এসে থমকে দাড়িয়েছি-স্বদেশের সীমানায়।ধুসর তিউনিসিয়া থেকে স্নিগ্ধ ইতালী,স্নিগ্ধ ইতালী থেকে

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র ভাঙা কুঁড়ে ঘরে থাকি;পাশে এক বিরাট প্রাসাদপ্রতিদিন চোখে পড়ে;সে প্রাসাদ কী দুঃসহ স্পর্ধায় প্রত্যহআকাশকে বন্ধুত্ব জানায়;আমি তাই চেয়ে চেয়ে দেখি।চেয়ে

সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র রানার ছুটেছে তাই ঝুম্ঝুম্ ঘণ্টা বাজছে রাতেরানার চলেছে, খবরের বোঝা হাতে,রানার চলেছে রানার!রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।দিগন্ত

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রেতার মুখে খবর পেলুমঃসে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকারজন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে।খর্বদেহ

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠিএত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি নাঃতবু জেনোমুখে আমার উসখুস করছে বারুদ–বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;আমি

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহর্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,আঠারো বছর বয়সেই অহরহবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি। আঠারো বছর বয়সের নেই

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র একটি মোরগ হঠাৎ আশ্রয় পেয়ে গেলবিরাট প্রাসাদের ছোট্ট এক কোণে,ভাঙা প্যাকিং বাক্সের গাদায়আরো দু’তিনটি মুরগীর সঙ্গে।আশ্রয় যদিও মিলল,উপযুক্ত আহার মিলল

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়এবার কঠিন কঠোর গদ্যে আনো,পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাকগদ্যের করা হাতুড়িকে আজ হানো।প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা-কবিতা তোমায়

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজ,আমি তো জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজ;মাটিতে লালিত ভীরু, শুধু আজ আকাশের ডাকেমেলেছি

– তসলিমা নাসরিন প্রিয় রুদ্র, প্রযত্নেঃ আকাশ, তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে। তুমি কি এখন আকাশ জুড়ে থাকো? তুমি আকাশে উড়ে বেড়াও? তুলোর মতো,