
প্রশ্ন
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: পরিশেষ (১৯৩২) ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত, পাঠায়েছ বারে বারে দয়াহীন সংসারে, তারা বলে গেল ‘ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল ‘ভালোবাসো —

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: পরিশেষ (১৯৩২) ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত, পাঠায়েছ বারে বারে দয়াহীন সংসারে, তারা বলে গেল ‘ক্ষমা করো সবে’, বলে গেল ‘ভালোবাসো —

– কাজী নজরুল ইসলাম ‘ভাঙ্গার গান‘ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি মূলত ১৯২২ সালে ‘ধুমকেতু’ পত্রিকায় প্রকাশের পর ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। আর কতকাল থাকবি

– জীবনানন্দ দাশ কাব্যগ্রন্থ: ধূসর পাণ্ডুলিপি আলো —অন্ধকারে যাই —মাথার ভিতরেস্বপ্ন নয়, কোন এক বোধ কাজ করে!স্বপ্ন নয় —শান্তি নয় —ভালোবাসা নয়,হৃদয়ের মাঝে এক বোধ

– জীবনানন্দ দাশ কাব্যগ্রন্থ: মহাপৃথিবী, প্রথম প্রকাশ ১৩৫১ বাংলা, ১৯৪৪ ইংরেজি শোনা গেল লাশকাটা ঘরেনিয়ে গেছে তারে;কাল রাতে—ফাল্গুনের রাতের আঁধারেযখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদমরিবার হ’লো

– জীবনানন্দ দাশ কাব্যগ্রন্থ: সাতটি তারার তিমির সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে;ফিরে এসো সুরঞ্জনা :নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে; ফিরে

-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: কথা ও কাহিনী আজ আমার প্রণতি গ্রহণ করো, পৃথিবী,শেষ নমস্কারে অবনত দিনাবসানের বেদিতলে।মহাবীর্যবতী, তুমি বীরভোগ্যা,বিপরীত তুমি ললিতে কঠোরে,মিশ্রিত তোমার প্রকৃতি পুরুষে নারীতে;মানুষের

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: কথা ও কাহিনী শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই আর সবই গেছে ঋণে।বাবু বলিলেন, “বুঝেছ উপেন, এ জমি লইব কিনে।’কহিলাম আমি,

দারিদ্র্য রেখা – তারাপদ রায় আমি নিতান্ত গরীব ছিলাম, খুবই গরীব।আমার ক্ষুধার অন্ন ছিল না,আমার লজ্জা নিবারণের কাপড় ছিল না।আমার মাথার উপরে আচ্ছাদন ছিল না।অসীম

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: ‘কথা ও কাহিনী’ গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমেমৈত্র মহাশয় যাবে সাগরসঙ্গমেতীর্থস্নান লাগি। সঙ্গীদল গেল জুটিকত বালবৃদ্ধ নরনারী; নৌকা দুটিপ্রস্তুত

– জীবনানন্দ দাশ কাব্যগ্রন্থ: অগ্রন্থিত , প্রকাশকাল: পৌষ ১৩৬১ বঙ্গাব্দ অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা;যাদের হৃদয়ে কোনো

ক্ষমা কর মা আমার – হাবিবুর রহমান সোহন কি বিকৃত, বিভৎস, ঘুণে ধরা এক সমাজে বাস করি আমরাআমাদের শিশু আছিয়া, নুসরাত, তনু, তৃষাদের নিয়ে,যেখানে বিধাতার

– কাজী নজরুল ইসলাম ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের ভাদ্র মাসে প্রকাশিত নজরুল গীতিকা গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত যেদিন লব বিদায় ধরা ছাড়ি প্রিয়ে।ধুয়ো ‘লাশ’ আমার লাল পানি দিয়ে।।শেয়র: শারাবী জমশেদী