
ছাড়পত্র
– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রেতার মুখে খবর পেলুমঃসে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকারজন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে।খর্বদেহ

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র যে শিশু ভূমিষ্ঠ হল আজ রাত্রেতার মুখে খবর পেলুমঃসে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকারজন্মমাত্র সুতীব্র চিৎকারে।খর্বদেহ

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠিএত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি নাঃতবু জেনোমুখে আমার উসখুস করছে বারুদ–বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস;আমি

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহর্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,আঠারো বছর বয়সেই অহরহবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি। আঠারো বছর বয়সের নেই

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র একটি মোরগ হঠাৎ আশ্রয় পেয়ে গেলবিরাট প্রাসাদের ছোট্ট এক কোণে,ভাঙা প্যাকিং বাক্সের গাদায়আরো দু’তিনটি মুরগীর সঙ্গে।আশ্রয় যদিও মিলল,উপযুক্ত আহার মিলল

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র হে মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়এবার কঠিন কঠোর গদ্যে আনো,পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাকগদ্যের করা হাতুড়িকে আজ হানো।প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা-কবিতা তোমায়

ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারায় একটি অমর নাম কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য । স্বল্পায়ু এই অসাধারণ কবি মাত্র সতেরো বছরের জীবনে যে শক্তিশালী

– সুকান্ত ভট্টাচার্য কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র জড় নই, মৃত নই, নই অন্ধকারের খনিজ,আমি তো জীবন্ত প্রাণ, আমি এক অঙ্কুরিত বীজ;মাটিতে লালিত ভীরু, শুধু আজ আকাশের ডাকেমেলেছি

সিঁড়ি সুকান্ত ভট্টাচার্য আমরা সিঁড়ি,তোমরা আমাদের মাড়িয়েপ্রতিদিন অনেক উঁচুতে উঠে যাও,তারপর ফিরেও তাকাও না পিছনের দিকে;তোমাদের পদধূলিধন্য আমাদের বুকপদাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় প্রতিদিন। তোমরাও তা

– সুকান্ত ভট্টাচার্য হে মহামানব, একবার এসো ফিরেশুধু একবার চোখ মেলো এই গ্রাম নগরের ভিড়ে,এখানে মৃত্যু হানা দেয় বারবার;লোকচক্ষুর আড়ালে এখানে জমেছে অন্ধকার।এই যে আকাশ,