( লেখাটি পড়তে প্রায় 5 মিনিট সময় লাগতে পারে )

‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ গল্প সংক্ষেপ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ছোটগল্প। পঞ্চাশের মন্বন্তরের (১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ) প্রেক্ষাপটে রচিত এই গল্পটি একজন সাধারণ চাকুরিজীবীর মানসিক সংকট ও বিবেকের দহনের কাহিনি ।

গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ‘ভৈরব’ পত্রিকার প্রথম শারদ সংখ্যায় (১৩৫০ বঙ্গাব্দ) । মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এই গল্পের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের একটি ক্ষুদ্র কিন্তু গভীর প্রতিচ্ছবি এঁকেছেন ।

এই নিবন্ধে আমরা গল্পটির সম্পূর্ণ কাহিনি সংক্ষেপ, প্রধান চরিত্র ও নামকরণের সার্থকতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ গল্প সংক্ষেপ
২২ আগস্ট ১৯৪৩-এ দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকায় ইয়ান স্টিফেনস দ্বারা প্রকাশিত; ছবি: উইকিপিডিয়া

গল্পের পটভূমি: পঞ্চাশের মন্বন্তর

গল্পটির পটভূমি ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাংলায় যে মন্বন্তর দেখা দিয়েছিল, তারই নির্মম ছায়া পড়েছে এই গল্পে। ফুটপাতে ফুটপাতে মানুষ অনাহারে মারা যাচ্ছিল, অথচ শহরের অলিগলিতে কিছু মানুষ ছিল যারা এই বাস্তবতার চোখের আড়ালে জীবনযাপন করত ।

গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় তেমনই একজন—যার জীবনযাত্রা অফিস ও সংসারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, ফুটপাতের মানুষের দুর্দশা ছিল তার চোখের অন্তরালে ।

কাহিনি সংক্ষেপ: এক দর্শন যে বদলে দিল সব

প্রথম অধ্যায়: ফুটপাতে মৃত্যুদর্শন

গল্পের শুরুতে দেখা যায়, মৃত্যুঞ্জয় অফিস যাওয়ার পথে প্রথমবারের মতো অনাহারে মৃত্যু দেখে । এর আগে তিনি ফুটপাতে মৃত্যুর কথা শুনেছেন ও পড়েছেন মাত্র—প্রত্যক্ষ দেখেননি কখনও । কেননা তার জীবনযাত্রা ছিল অফিস-বাড়ির মধ্যে আবদ্ধ। বাড়ি থেকে বেরিয়ে দুই পা হেঁটেই ট্রামে ওঠেন, আবার ট্রাম থেকে নামেন প্রায় অফিসেরই দরজায়। তার বাড়িও শহরের এমন নিরিবিলি অঞ্চলে যেখানে ফুটপাথ নেই বললেই চলে, মানুষ মরতেও যায় না সেখানে ।

এই মৃত্যুদর্শন মৃত্যুঞ্জয়ের মনে প্রবল আঘাত হানে। মনে আঘাত পেলে তার শরীরেও প্রতিক্রিয়া হয়—মানসিক বেদনার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক কষ্টবোধও শুরু হয় । অফিসে পৌঁছে তিনি কলঘরে গিয়ে পেট ভরে খাওয়া সমস্ত খাবার (ভাজা, ডাল, তরকারি, মাছ, দই, ভাত) বমি করে উগড়ে দেন ।

দ্বিতীয় অধ্যায়: নিখিলের সঙ্গে কথোপকথন

অফিসের সহকর্মী নিখিল মৃত্যুঞ্জয়ের অসুস্থতার খবর নিতে এলে মৃত্যুঞ্জয় আর্তনাদ করে ওঠে—“মরে গেল! না খেয়ে মরে গেল!” ।

নিখিল মৃত্যুঞ্জয়ের চেয়ে আলাদা প্রকৃতির মানুষ। তিনি রোগা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও একটু অলস প্রকৃতির । সংসারে তার মন নেই; অবসর জীবন তিনি বই পড়ে ও চিন্তাজগৎ গড়ে তুলে কাটাতে চান । মৃত্যুঞ্জয়ের সঙ্গে তার মাইনে প্রায় সমান, তবে একটি বাড়তি দায়িত্বের জন্য মৃত্যুঞ্জয় পঞ্চাশ টাকা বেশি পায় ।

নিখিল অন্য সকলের মতো মৃত্যুঞ্জয়কে পছন্দ করে—হয়তো মৃদু অবজ্ঞার সঙ্গে ভালোবাসেও। তিনি মৃত্যুঞ্জয়কে “মানবসভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন ও সবচেয়ে পচা ঐতিহ্য-আদর্শবাদের কল্পনা-তাপস” মনে করেন ।

মৃত্যুঞ্জয়ের কাছে নিখিল বুঝতে পারে যে তিনি ফুটপাতের অনাহারে মৃত্যুর মতো সাধারণ ঘটনাটি মেনে নিতে পারছেন না। তিনি পাহাড়প্রমাণ চিন্তার বোঝা তার ক্ষুদ্র ধারণাশক্তির থলিতে ঢোকানোর চেষ্টা করছেন ।

তৃতীয় অধ্যায়: বিবেকের দহন

মৃত্যুঞ্জয় যখন বলেন, “আমি বেঁচে থাকতে যে-লোকটা না-খেয়ে মরে গেল, এ অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত কী?”—তখন নিখিলের কাছে এ চিন্তা বোধগম্য হয় না ।

মৃত্যুঞ্জয়ের চোখ ছলছল করছে দেখে নিখিলের মনও খারাপ হয়ে যায়। তিনি ভাবেন, দরদের চেয়ে ছোঁয়াচে কিছু নেই, কিন্তু দেশের সমস্ত দরদ পুঞ্জীভূত করেও ক্ষুধার আগুন নেভানো যায় না। অন্নের বদলে সেই আগুন আরও সমিধে পরিণত হবে ।

মৃত্যুঞ্জয় তখন নিজের খাওয়া একবেলা কমিয়ে দেয় এবং তার স্ত্রী টুনুর মা-ও তার সঙ্গে একবেলা খাওয়া বন্ধ করে দেয় ।

চতুর্থ অধ্যায়: আত্মদানের চেষ্টা

কয়েকদিন পর মাইনের তারিখ আসে। নিখিল তখন নিজের মাসিক সাহায্যের পরিমাণ কমিয়ে দেবার কথা ভাবছিল ।

এমন সময় মৃত্যুঞ্জয় নিখিলের কাছে আসে এবং তার সমস্ত মাইনের টাকা রিলিফ ফান্ডে দিয়ে আসার অনুরোধ জানায় । নিখিল অবাক হয়ে দেখে, মৃত্যুঞ্জয় তার পুরো মাসিক বেতন—যা দিয়ে ন’জন লোকের সংসার চলে—দান করে দিতে চায় ।

নিখিল বুঝিয়ে বলতে চায় যে এভাবে দেশের লোককে বাঁচানো সম্ভব নয়—যে অন্ন পাওয়া যাচ্ছে তা তো কারও-না-কারও পেটেই যাবে। রিলিফ শুধু চোখের সামনের কয়েকজনকে বাঁচানোর সান্ত্বনা মাত্র। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয়ের গলায় আটকে থাকা কষ্টের কাছে নিখিলের সব যুক্তি ব্যর্থ হয় ।

পঞ্চম অধ্যায়: চূড়ান্ত পরিণতি

গল্পের শেষে মৃত্যুঞ্জয় আর ফিরে আসে না স্বাভাবিক জীবনে। তার পরিচ্ছন্ন সিল্কের জামা এখন অদৃশ্য হয়ে গেছে । সে একসময় ফুটপাতের ভিড়ে মিশে যায়—অনাহারী মানুষের দলে। শহরের অলিগলিতে ঘুরে বেড়ায়, লঙ্গরখানায় দাঁড়ায়, দুর্ভিক্ষপীড়িতদের কাতর আর্তনাদ শোনে—“গা থেকে এইছি। খেতে পাইনে বাবা। আমায় খেতে দাও” ।

মৃত্যুঞ্জয়ের আত্মহননের এই যাত্রা নিখিলের চোখে ধরা পড়ে। নিখিল ভেবেছিল বন্ধুকে বুঝিয়ে বলবে—এভাবে বাঁচানো যায় না। কিন্তু কথাগুলো তার গলায় আটকে যায় ।

প্রধান চরিত্র পরিচিতি

মৃত্যুঞ্জয়

  • অফিসের চাকুরে, নিরীহ ও দরদী মানুষ

  • শহরের নিরিবিলি অঞ্চলে বসবাস করেন

  • ট্রামে করে অফিস যাতায়াত করেন

  • ফুটপাতে অনাহারে মৃত্যু দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন

  • নিজের খাওয়া কমিয়ে দেন ও পুরো মাইনে দান করেন

  • শেষ পর্যন্ত ফুটপাতের ভিড়ে বিলীন হয়ে যান

নিখিল

  • মৃত্যুঞ্জয়ের সহকর্মী, সমপদস্থ

  • রোগা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি, অলস প্রকৃতির

  • সংসারে মন নেই, বই ও চিন্তাজগতে সময় কাটান

  • বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী

  • মৃত্যুঞ্জয়ের আবেগতারিত প্রতিক্রিয়াকে যুক্তি দিয়ে বোঝাতে চান

  • কিন্তু শেষ পর্যন্ত নীরব থাকতে বাধ্য হন

টুনুর মা

  • মৃত্যুঞ্জয়ের স্ত্রী

  • স্বামীর সঙ্গে একবেলা খাওয়া বন্ধ করে দেন

  • ফুটপাতের মানুষের কথা সবসময় মনে পড়ে

  • নিখিলের কাছে স্বামীর খেয়াল রাখার অনুরোধ জানান

‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’—নামকরণের সার্থকতা

গল্পটির নামকরণ অত্যন্ত ব্যঞ্জনাধর্মী ও তাৎপর্যপূর্ণ ।

আক্ষরিক সার্থকতা

মৃত্যুঞ্জয় প্রথম থেকেই অনাহারে মৃত্যু দেখে এক গভীর মানসিক দ্বন্দ্বে ভোগে। সে নিজেই বাঁচতে জানে না, কারণ তার মনে হয় সমাজের এত মানুষের অনাহার-মৃত্যুর মাঝে তার বেঁচে থাকাটা পাপ। সে তার সমস্ত মাইনে বিলিয়ে দেয় এবং নিজে না খেতে পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই আক্ষরিক অর্থেই গল্পে “কে বাঁচায়” (অপরকে?) এবং “কে বাঁচে” (নিজেকে?) প্রশ্নটি সামনে আসে ।

প্রতীকী ও ব্যঞ্জনাত্মক সার্থকতা

নামকরণটি কেবল এক ব্যক্তির জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন নয়, বরং এক বৃহত্তর সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। দুর্ভিক্ষ মানুষকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। নামকরণটি সেই সময়ের সমাজ ও রাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞাসা করে—এই বিপর্যয় থেকে মানুষকে কে বাঁচাবে? (রাষ্ট্র, সমাজ, নাকি মানবতা?) ।

গল্পটি মৃত্যুঞ্জয়ের আত্মসংকট এবং বিবেকের দহন-এর মাধ্যমে চরম প্রকাশ লাভ করে। মৃত্যুঞ্জয় বাঁচতে চায়, কিন্তু সে দেখে ‘ভাত-কাপড়ের’ সমস্যার সমাধান তার হাতে নেই। তার চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং শেষে সে ভিড়ের এক অংশে মিশে গিয়ে নিজেকে বিলিয়ে দেয়, যা প্রকারান্তরে আত্মহননেরই শামিল ।

সুগভীর ব্যঞ্জনা

গল্পে দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের মুখে কোন নালিশ নেই, প্রতিবাদ নেই—সবকিছু ভাগ্য বলে মেনে নিয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানমনস্ক লেখক সাধারণ মানুষের মতো ভাগ্য বিশ্বাসী ছিলেন না। শোষিত মানুষের বাঁচার প্রশ্নে, ভাগ্যের স্বীকৃতির ইঙ্গিত নেই নামকরণে। “কে বাঁচায়, কে বাঁচে”—এই নামকরণের মধ্য দিয়েই লেখক ইঙ্গিত দিয়েছেন—নিজেদের সমবেত শক্তিতেই বাঁচতে হয় ।

গল্পের শেষে মৃত্যুঞ্জয় যেমন ফুটপাতের ভিড়ে মিশে যায়, তেমনি নামকরণটিও পাঠককে বলে—এই দুর্ভিক্ষের সমাধান রিলিফের মধ্যে নয়, প্রয়োজন কারণ অনুসন্ধান ও আত্মবিশ্বাসী প্রতিবাদী কণ্ঠকে জোরদার করা ।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য (FAQ)

১: ‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ গল্পটির লেখক কে?

গল্পটির লেখক হলেন বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় ছোটগল্প ।

গল্পটি পঞ্চাশের মন্বন্তর (১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ)-এর পটভূমিতে রচিত ।

গল্পের প্রধান চরিত্র মৃত্যুঞ্জয়। তিনি এক অফিস-চাকুরে, যিনি ফুটপাতে অনাহারে মৃত্যু দেখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন ।

মৃত্যুঞ্জয়ের সহকর্মী ও বন্ধুর নাম নিখিল। তিনি রোগা, তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও অলস প্রকৃতির মানুষ ।

গল্পটি প্রথম ‘ভৈরব’ পত্রিকার প্রথম শারদ সংখ্যায় (১৩৫০ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয় ।

নামকরণটি অত্যন্ত ব্যঞ্জনাধর্মী। এটি এক ব্যক্তির আত্মসংকট থেকে শুরু করে সমাজ, রাষ্ট্র ও মানুষের নৈতিকতাকে একযোগে প্রশ্ন করে—“কে বাঁচায়? কে বাঁচে?” নামকরণের মধ্য দিয়ে লেখক ইঙ্গিত দেন—নিজেদের সমবেত শক্তিতেই বাঁচতে হয় ।

গল্পের শেষে মৃত্যুঞ্জয় তার পরিচ্ছন্ন সিল্কের জামা ছেড়ে ফুটপাতের দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের ভিড়ে মিশে যায়। এটিকে এক প্রকার আত্মহনন বললেও চলে ।

উপসংহার: বিবেকের দহনের চিরন্তন কাহিনি

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ গল্পটি একটি বিবেকের দহনের কাহিনি । একজন সাধারণ চাকুরিজীবী ফুটপাতে অনাহারে মৃত্যু দেখে নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের অপরাধবোধে জর্জরিত হয়ে পড়ে। সে নিজে বাঁচতে চায়, কিন্তু বাঁচতে পারে না—কারণ সমাজের অন্য প্রান্তে মানুষ মারা যাচ্ছে যখন সে চারবেলা পেটপুরে খাচ্ছে ।

নিখিলের মতো বাস্তববাদী মানুষ যুক্তি দিয়ে বলে—ভুরিভোজন অন্যায়, কিন্তু না খেয়ে মরাটা তার চেয়েও বড় অন্যায় । মৃত্যুঞ্জয়ের কাছে সেটা শোনায় না। সে নিজের পুরো মাইনে দান করে দেয়, নিজের খাওয়া কমিয়ে দেয়, শেষ পর্যন্ত নিজের সমস্ত পরিচয় হারিয়ে ফুটপাতের ভিড়ে মিশে যায় ।

গল্পের নামকরণটি এর সার-সৌন্দর্যকে আরও গভীর করে তোলে । ‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’—এই প্রশ্নটি শুধু মৃত্যুঞ্জয়ের নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের। যারা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের আবরণে থাকি, কিন্তু সমাজের বাস্তবতার মুখোমুখি হলে আমাদের বিবেক কি প্রশ্ন করে না?

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এই গল্পে কোনো সহজ সমাধান দেননি। তিনি শুধু দেখিয়েছেন—একটি দর্শন কীভাবে একজন মানুষকে বদলে দিতে পারে, কীভাবে সামাজিক সচেতনতা এক ব্যক্তির আত্মপরিচয়কে গ্রাস করতে পারে। এই গল্প পড়ে বোঝা যায়, দায়িত্বশীল নাগরিকের মানসিক সংকট কত গভীর হতে পারে। আর এই কারণেই ‘কে বাঁচায়, কে বাঁচে’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ক্লাসিক গল্প হয়ে আছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো ভালো লাগতে পারে