
সমরেশ মজুমদারের উক্তি: বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথকের অমর বাণী
ভূমিকা: বাংলা সাহিত্যের নির্মোহ বাস্তববাদী সমরেশ মজুমদার (১৯৪৪-২০২৩) বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত নাম। তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার কলম থেকে বেরিয়েছে অগণিত কালজয়ী

ভূমিকা: বাংলা সাহিত্যের নির্মোহ বাস্তববাদী সমরেশ মজুমদার (১৯৪৪-২০২৩) বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত নাম। তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার কলম থেকে বেরিয়েছে অগণিত কালজয়ী

ভূমিকা: যিনি বাংলা সাহিত্যের গতিপথ বদলে দিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২)। একটি নাম, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন। তাঁকে ঘিরে যত কথা বলা

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগে যে কবি সম্পূর্ণ নতুন এক কাব্যভাষা তৈরি করেছিলেন, তিনি হলেন জীবনানন্দ দাশ। তাঁকে বলা হয় ‘নির্জনতম কবি’। তাঁর কবিতার উপমা,

জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯–১৯৫৪) আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী নাম। তিনি সেই জীবনানন্দ দাশ—রবীন্দ্রনাথের পর, যার নামের উল্লেখ বাংলা চিন্তায় জাগিয়ে তোলে এক ধরনের অন্তর্গত

ভূমিকা: যে গ্রামীণ কৃষক কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন গোঁড়ামির ভিত বাংলাদেশের বরিশাল জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম লামচরী। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে, যখন শিক্ষা ছিল অভিজাতদের অধিকার, তখন এখানে

বাংলা সাহিত্যের অমর কথা সাহিত্যিক, হুমায়ূন আহমেদ, সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর এক সহজ ক্ষমতা আছে – জীবনের নির্মমতাকে সৌন্দর্যের আকারে তাঁর

বাংলা সাহিত্যের আকাশে হুমায়ূন আহমেদ এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার কলমের ছোঁয়ায় সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবন হয়ে উঠেছে অসাধারণ। সত্তর দশকের শুরু থেকে আজ অবধি তার জনপ্রিয়তা

বাংলা সাহিত্য এক বিশাল ভান্ডার, যেখানে অসংখ্য কবি তাঁদের প্রতিভা ও সৃষ্টিশীলতার মাধ্যমে সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাই “বাংলার শ্রেষ্ঠ কবি কে”—এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়।

বাংলা সাহিত্য এমন এক শক্তিশালী মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে দেশপ্রেম, স্বাধীনতা ও আত্মত্যাগের চেতনা জাগ্রত হয়েছে যুগে যুগে। বিশেষ করে দেশাত্মবোধক বাংলা কবিতা মানুষের

বাংলা সাহিত্য বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সাহিত্যভান্ডার। এই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন অসংখ্য কবি ও সাহিত্যিক। তাঁদের কবিতায় ফুটে উঠেছে প্রেম, প্রকৃতি, মানবতা, সমাজচেতনা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে যুক্তিবাদী চিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির চর্চায় যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন আরজ আলী মাতুব্বর। তিনি ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত দার্শনিক, লেখক এবং

বাংলা সাহিত্যের বিশাল জগতের মধ্যে আর কারও মতো নয় এমন এক জ্বলজ্বলে তারকা বিদ্যমান। তিনি ছিলেন একজন কবির চেয়েও বেশি—একজন অতুলনীয় ঔপন্যাসিক, কথাকার, নাট্যকার এবং