
নুন
– জয় গোস্বামী আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে।চলে যায় দিন আমাদের অসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে।

– জয় গোস্বামী আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে।চলে যায় দিন আমাদের অসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে।

– সুকান্ত ভট্টাচার্য হে মহামানব, একবার এসো ফিরেশুধু একবার চোখ মেলো এই গ্রাম নগরের ভিড়ে,এখানে মৃত্যু হানা দেয় বারবার;লোকচক্ষুর আড়ালে এখানে জমেছে অন্ধকার।এই যে আকাশ,

কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: অগ্নি-বীণা কে তুমি খুঁজিছ জগদীশে ভাই আকাশ পাতাল জুড়ে’কে তুমি ফিরিছ বনে-জঙ্গলে, কে তুমি পাহাড়-চূড়ে? হায় ঋষি দরবেশ,বুকের মানিকে বুকে

– কাজী নজরুল ইসলাম কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা গাহি সাম্যের গান-যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধানযেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্লিম-ক্রীশ্চান।গাহি সাম্যের গান!কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল,

– তারাপদ রায় আমরা যে গাছটিকে কৃষ্ণচূড়া ভেবেছিলাম,যার উদ্দেশে ধ্রূপদী বিন্যাসে কয়েক অনুচ্ছেদপ্রশস্তি লিখেছিলামগতকাল বলাইবাবু বললেন, ‘ঐটি বানরলাঠি গাছ।’অ্যালসেশিয়ান ভেবে যে সারমেয় শাবকটিকেআমরা তিন মাস

– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো আমি বিষপান করে মরে যাবো!বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশ নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ প্রান্তরে দিগন্ত

– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখেনিছেলেবেলায় এক বোষ্টুমী তার আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিলশুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু শুনিয়ে যাবেতারপর

– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় দু’জন খসখসে সবুজ উর্দিপরা সিপাহীকবিকে নিয়ে গেল টানতে টানতেকবি প্রশ্ন করলেন : আমার হাতে শিকল বেঁধেছ কেন?সিপাহী দু’জন উত্তর দিল না;সিপাহী দু’জনেরই

– হাবিবুর রহমান সোহন কে আমি?আদিম প্রশ্নটির সম্ভাব্য একটি উত্তর খুঁজে পেয়েআমার উপলব্ধি প্রকাশ করলামআমারই স্বজাতির সকাশেতারা আহত হয়েছেপ্রথমে তারা আমাকে স্বস্নেহে বকে দিয়েছেতারপর তারা

-হাবিবুর রহমান সোহন বাটুল হাতে দাঁড়িয়ে আছে টুটুল নামের ছেলে গুলতি ছুড়ে মারবে নাকি একটি চড়ুই পেলে। বাটুল যখন মারলো টুটুল হঠাৎ করে জোড়ে চড়ই

হাবিবুর রহমান সোহন লিখব কবিতামনে বড় আশাকবি হয়ে মানুষেরপাবো ভালবাসা। কিন্তু কি লিখবফাকা বীজতলাশব্দের ঝুড়ি ভরানেই তার তলা।কবিতার বাগানেপ্রয়োজন চারাখুঁজে খুঁজে মাথা গোলহই দিশেহারা।

– হাবিবুর রহমান সোহন তোমার পদশব্দফাল্গুনের ঝড়া পাতার মতঝুম ঝুম শব্দে ঝড়ে পরেআমার হৃদয়ে। ছুটে দিয়ে দেখি তুমি নয় –জানলার সানসেটে চুড়ুইগুলোকিচিরমিচির হাসছেইলেকট্রিক তারে বসা