
মানুষ — এই শব্দটি আমাকে বড় আলোড়িত করে
– তসলিমা নাসরিন হ্যাঁ, এই শব্দটি আমাকে আলোড়িত করেআমি কোনো মানুষবিহীন অরণ্যে বাস করতে পারি না,কোনো নিঝুম ঘরেও, যদি মানুষ না থাকে, গা ছমছম করেসেণ্ট

– তসলিমা নাসরিন হ্যাঁ, এই শব্দটি আমাকে আলোড়িত করেআমি কোনো মানুষবিহীন অরণ্যে বাস করতে পারি না,কোনো নিঝুম ঘরেও, যদি মানুষ না থাকে, গা ছমছম করেসেণ্ট

– তসলিমা নাসরিন আমিও মানুষ বটেসামাজিক যাতাকলে পিষ্ট হওয়া নারী নামধারী শুধুদ্বিপদী চিড়িয়া নই, আমিও মানুষ।পাঁজরের ছাই দিয়ে চেপে রাখি বুকের আগুনমহুয়া মাতাল হয়ে ইচ্ছে

– আহসান হাবীব কাব্যগ্রন্থ: ‘দু’হাতে দুই আদিম পাথর’ (১৯৮০) ‘হল্ট’ বলে হুঙ্কার ছেড়েই যম সামনে খাড়া।লোমশ কর্কশ হাত ঢুকে গেলো প্যান্টের পকেটেকিছু পয়সা দুটি ফুল

– আহসান হাবীব কাব্যগ্রন্থ: ’সারা দুপুর’ ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল আমার আমার ভাবতে গেলেই বিপদ ঘটে। এই অফিস এই কারখানাআর এ কারখানার গুদামটুদামতালাবন্ধ কোণের ঘরে

– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাব্যগ্রন্থ: কল্পনা, প্রকাশকাল: ১৯০০ সাল (বঙ্গাব্দ ১৩০৭) আজি কি তোমার মধুর মূরতি হেরিনু শারদ প্রভাতে!হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ ঝলিছে অমল শোভাতে।

– শহীদ কাদরী কাব্যগ্রন্থ: প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘উত্তরাধিকার’ (প্রকাশকাল ১৯৬৭) সহসা সন্ত্রাস ছুঁলো। ঘর-ফেরা রঙিন সন্ধ্যার ভীড়েযারা তন্দ্রালস দিগ্বিদিক ছুটলো, চৌদিকেঝাঁকে ঝাঁকে লাল আরশোলার মত যেনবা

– ভারত এক খোঁজ বিশেষ কারণে এত বছর পর আমি অযোধ্যা এলাম,মাননীয় বিচারক,এলাম আমার মায়ের জন্মভূমি খুঁজতে।না, আমার কী ধর্ম আমি জানিনা,জানিনা আমার বাবা কে,আমার

সিঁড়ি সুকান্ত ভট্টাচার্য আমরা সিঁড়ি,তোমরা আমাদের মাড়িয়েপ্রতিদিন অনেক উঁচুতে উঠে যাও,তারপর ফিরেও তাকাও না পিছনের দিকে;তোমাদের পদধূলিধন্য আমাদের বুকপদাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় প্রতিদিন। তোমরাও তা

– আহসান হাবীব কাব্যগ্রন্থ: ‘দু’হাতে দুই আদিম পাথর’ (১৯৮০) আসমানের তারা সাক্ষী সাক্ষী এই জমিনের ফুল, এইনিশিরাইত বাঁশবাগান বিস্তর জোনাকি সাক্ষীসাক্ষী এই জারুল জামরুল, সাক্ষীপুবের

– আহসান হাবীব কাব্যগ্রন্থ: ’রাত্রিশেষ‘’ হে বাঁশরী অসি হও তুমি!কেন না দুর্গের দ্বারে হানা দিল হায়েনা নয়ন;কেন না উদ্যত আজ শাণিত নখর বহু

অপদার্থ – সঞ্জিব চট্টোপাধ্যায় জীবজগতে পুরুষের মত অপদার্থ প্রাণী আর নেই। স্ত্রীরা ঠিকই বলেন, আমি না থাকলে তোমার যে কি দশা হতো। অতি সত্য কথা।

শাশ্বতী – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত শ্রান্ত বরষা, অবেলার অবসরে,প্রাঙ্গণে মেলে দিয়েছে শ্যামল কায়াস্বর্ণ সুযোগে লুকোচুরি-খেলা করেগগনে গগনে পলাতক আলো-ছায়া।আগত শরৎ অগোচর প্রতিবেশে;হানে মৃদঙ্গ বাতাসে প্রতিধ্বনি;মূক প্রতীক্ষা